অনলাইন ডেস্ক: আস্থা নিউজ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে জড়িয়ে দুর্গাপূজা সংক্রান্ত একটি ভুয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ছড়ানো ফটোকার্ডটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছে দলটি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এই তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।
অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন জামায়াত নেতা
বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্পষ্ট করেন যে, জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি এই ধরনের কোনো মন্তব্য করেননি এবং অসুস্থ নেতার নামে এমন মন্তব্য প্রচার করা অত্যন্ত দুঃখজনক।
ভুয়া আইডি ও অসত্য ফটোকার্ডের উৎস
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফেসবুকে ‘জোবায়দা রহমান’ নামের একটি বিতর্কিত আইডি থেকে ‘দুর্গাপূজা শুধু হিন্দুদের নয়, এটি আমাদেরও: জামায়াত নেতা তাহের’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতাকে নিয়ে এ ধরণের অসত্য উক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহলের হাত রয়েছে বলে দাবি করে দলটি। একই সঙ্গে এ জাতীয় গুজব বা অসত্য তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি বিনীত আহ্বান জানানো হয়।
গুজবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান
জামায়াতের প্রচার বিভাগের প্রধান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে সম্মানিত ব্যক্তিদের নাম ও ছবি যুক্ত করে বিতর্কিত ও সম্মানহানিকর তথ্য প্রচারের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সামাজিকভাবে উসকানিমূলক ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর এ ধরনের অপচেষ্টা থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
পাশাপাশি, দেশের সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের নামে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরিকারীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোরালো দাবি জানান তিনি।
(সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানান, উৎসব-পার্বণ কিংবা সংবেদনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন নেতার ছবি ব্যবহার করে এমন ‘ফেক ফটোকার্ড’ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তথ্যের সত্যতা যাচাই ছাড়া এ ধরনের পোস্ট শেয়ার না করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।)








