আন্তর্জাতিক ফুটবল ইতিহাস ও পরিসংখ্যান সংস্থা (IFFHS) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—কোনো নাম, ব্যক্তিগত পরিচিতি কিংবা আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং শতভাগ বস্তুনিষ্ঠ তথ্য-উপাত্ত ও পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করেই লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সংস্থাটি তাদের অফিসিয়াল মূল্যায়নে জানিয়েছে, পুরো আসরে খেলা ৮টি ম্যাচে ৮টি গোল করার পাশাপাশি ৪টি গোলে সরাসরি সহায়তা (অ্যাসিস্ট) করেছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মোট ১২টি গোলে সরাসরি অবদান রেখে টুর্নামেন্টজুড়ে তার গড় ম্যাচ রেটিং ছিল ৮.৩৩—যা প্রতিযোগিতার যেকোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।
নকআউট পর্বের পারফরম্যান্সে বিশেষ জোর
আইএফএফএইচএস-এর রেটিং ও র্যাঙ্কিং সিস্টেমে নকআউট পর্বের পারফরম্যান্সকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, যখন দল বিদায়ের শঙ্কায় থাকে, তখন চাপ সামলে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলার ক্ষমতাই একজন সাধারণ খেলোয়াড়ের সঙ্গে মহাতারকার তফাৎ গড়ে দেয়। আর্জেন্টিনার নকআউট পর্বের প্রতিটিতে মেসির পারফরম্যান্স ও নেতৃত্ব ছিল অবিসংবাদিত।
“আমাদের প্যানেল কোনো আবেগ বা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেয়নি। প্রতিটি ম্যাচের ডাটা, গোল, অ্যাসিস্ট এবং নকআউট পর্বের গুরত্ব বিবেচনা করে ডেটার পূর্ণাঙ্গ সততা বজায় রেখেই মেসিকে সেরা নির্বাচিত করা হয়েছে।”
— আইএফএফএইচএস (IFFHS)
এক নজরে টুর্নামেন্টে মেসির পরিসংখ্যান
| পরিসংখ্যান সূচক | তথ্য/সংখ্যা |
| মোট ম্যাচ | ৮টি |
| মোট গোল | ৮টি |
| অ্যাসিস্ট | ৪টি |
| মোট গোল অবদান | ১২টি |
| গড় ম্যাচ রেটিং | ৮.৩৩ |
| অর্জন | আইএফএফএইচএস সেরা খেলোয়াড় |
বিশ্ব ফুটবলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষকদের মতে, মেসি মাঠের খেলায় গোল ও অ্যাসিস্টের পাশাপাশি আক্রমণের গতি নির্ধারণ এবং সিদ্ধান্তমূলক মুহূর্তে প্রভাব বিস্তারে একক আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন। তথ্য ও পরিসংখ্যানে তার এই ধারাবাহিকতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে আইএফএফএইচএস-এর শীর্ষ স্থানে পৌঁছে দিয়েছে।









