• রাজশাহী, বাংলাদেশ
  • ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • asthanews.raj@gmail.com
  • +880-1711-294327

আসামে অবতরণের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিমানে আগুন, তদন্ত শুরু

প্রকাশ: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬ ৬:২৯
আপডেট: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬ ৬:২৯

আসামে অবতরণের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিমানে আগুন, তদন্ত শুরু

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের আসামের জোড়হাটে অবতরণের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি ‘এএন-৩২’ (AN-32) পরিবহন বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। রানওয়েতে নামার পরপরই বিমানটিতে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। শনিবার (১৩ জুন) জোড়হাট বিমানঘাঁটিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার বিস্তারিত

প্রাথমিক তথ্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবতরণের সময় বিমানঘাঁটি চত্বরের ভেতরেই এএন-৩২ বিমানটি আছড়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে এতে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং উদ্ধারকাজের জন্য দ্রুত ঘটনাস্থলে জরুরি উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিস মোতায়েন করা হয়।

ভারতীয় বিমানবাহিনী দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা হতাহতের কোনো খবর জানা যায়নি। পরিস্থিতি পুরোপুরি পর্যালোচনার পর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে। ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী।

বিমানবাহিনীর ‘ওয়ার্কহর্স’ এএন-৩২ আন্তোনভ এএন-৩২ বিমানটিকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধান ভরসা বা ‘ওয়ার্কহর্স’ বলা হয়ে থাকে। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে মূলত ভারতের বিশেষ প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই এটি তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে এই মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান রয়েছে। অত্যন্ত উঁচু বিমানঘাঁটি এবং উষ্ণ ক্রান্তীয় আবহাওয়ার মতো প্রতিকূল পরিবেশেও এটি অনায়াসে উড্ডয়ন করতে পারে। বিমানটি সর্বোচ্চ ৭.৫ টন মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার বহনে সক্ষম। দুর্গম অঞ্চলে রসদ সরবরাহে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

তিন মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় দুর্ঘটনা

এর আগে গত মার্চ মাসেও আসামে বিমানবাহিনীর আরও একটি বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল। ওই সময় রাজ্যের কার্বি আংলং জেলায় একটি ‘সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই’ (Sukhoi Su-30MKI) যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুজন পাইলট নিহত হন।

গত ৫ মার্চ জোড়হাট বিমানঘাঁটি থেকে নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে উড্ডয়নের পর সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটে কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সুখোই বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে জোড়হাট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কার্বি আংলং জেলার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। তিন মাসের ব্যবধানে একই বিমানঘাঁটি সংশ্লিষ্ট এলাকায় দ্বিতীয়বারের মতো এই দুর্ঘটনা ঘটল।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ

 


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কাজী জহুরুল আলম ।। প্রকাশকঃ মিজানুর রহম্যান মিজান

রাজশাহী অফিস: চারঘাট, জিপিও-৬২৭০, রাজশাহী।
ই-মেইল: asthanews.raj@gmail.com, মোবাইল: +880-1711-294327